রঙ-ঢঙ দীর্ঘায়ু পেতে…

দীর্ঘ ও সুস্থ জীবন কে না চায়! বয়সকে তো আর ঠেকিয়ে রাখা যাবে না। কিন্তু দীর্ঘায়ু বা সুস্থ থাকাটা অনেকটা নিজের ওপরই নির্ভর করে। পুষ্টিকর খাবার ও দুশ্চিন্তামুক্ত জীবন সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু নিশ্চিত করতে পারে

মাংসের বদলে মাছ খান। সঙ্গে রাখুন শিম, মটরশুঁটিজাতীয় সবজি। এটা আপনার বুড়িয়ে যাওয়াকে প্রতিরোধ করবে। নিয়মিত মাছ খেলে মস্তিষ্ক সুস্থ থাকে। রুইজাতীয় মাছ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড গ্রহণের মাত্রা বৃদ্ধি করে। এতে হূিপণ্ড সুস্থ থাকে। মাংসের পরিবর্তে মাছ, সবজি, ফলমূল খেলে তাতে শরীরের বিভিন্ন প্রদাহ কমে যায়।

মস্তিষ্ককে সবল ও কর্মক্ষম রাখতে আমরা কী খাচ্ছি, সেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ভিটামিন, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং ফাইটোকেমিক্যালসমৃদ্ধ খাবার মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখে। লাল রঙের ফল যেমন— টমেটো ও তরমুজে লাইকোপেন অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে। এগুলো বুড়িয়ে যাওয়ার জন্য দায়ী উপাদানগুলোর সঙ্গে লড়াই করে। পাতাকপি ও পালংশাকে ভিটামিন ‘ই’ এবং ‘কে’ থাকে, যা স্মৃতিশক্তি অটুট রাখতে সহায়ক।

বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে আমাদের পরিপাক ব্যবস্থা দুর্বল হতে থাকে। তাই অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি রোধে ক্যালরি গ্রহণের পরিমাণ এবং ব্যায়ামের ওপর জোর দিতে হবে। ওজন স্থির রাখা এবং অপুষ্টিকর খাবার গ্রহণের অভ্যাস ত্যাগ করা সমানভাবে জরুরি। উচ্চতা ও বয়সের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ওজন হূদরোগ থেকে শুরু করে শরীরকে অনেক রোগ থেকে মুক্ত রাখে।

আপনার খাদ্যগুলো যতটা সম্ভব রঙিন করুন। মানে খাদ্যতালিকায় বেশি বেশি ফলমূল ও সবজি অন্তর্ভুক্ত করুন। এগুলো কোষের মৃত্যু কমিয়ে শরীরের বুড়িয়ে যাওয়াকে রোধ করে। যত বেশি রঙের ফলমূল খাওয়া যায়, ততই ভালো কারণ, প্রতিটি রঙই কোনো বিশেষ স্বাস্থ্য সুবিধার প্রতীক। তাই প্রতি বেলার খাবারের সময়ই ফল ও সবজির মিশ্রণে তৈরি সালাদ খান।

চিনি খাওয়া কমাতে হবে। অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার স্থূলতা ও নানা ধরনের রোগ সৃষ্টি করে। গবেষকরা বলছেন ২ হাজার ক্যালরি খাবারের বিপরীতে চিনির পরিমাণ থাকা উচিত সর্বোচ্চ ১২ চা চামচ। এজন্য কোমলপানীয় পান বন্ধ করা উচিত। রাস্তার পাশে বিক্রি করা অনেক মিষ্টিজাতীয় খাবারে অতিরিক্ত ও নিম্নমানের সিরাপ ব্যবহার করা হয়। এগুলো এড়িয়ে চলা উচিত।

বিভিন্ন ধরনের মসলা একদিকে যেমন খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি করে, অন্যদিকে মসলার বিভিন্ন উপাদান বয়স বৃদ্ধির বিভিন্ন লক্ষণকে প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। যেমন— হলুদে কারকুমিন নামের একটি উপাদান হাড়ের জোড়ার ব্যথা নিরাময়ে ভূমিকা রাখে। আর খাবারে মসলা বেশি থাকলে লবণ ও চিনির ব্যবহার কম হয়।

ব্যায়াম করাটা খুবই জরুরি। হাঁটা, সাঁতার কাটা এবং সাইকেল চালানো হূদযন্ত্র থেকে শুরু করে শরীরের পেশিগুলো

1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (No Ratings Yet)
Loading...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *