স্কিন ক্যান্সার কি? এটি কিভাবে ছড়ায়

লক্ষণ ও উপসর্গ

বাসাল সেল কারসিনোমা

  • এ্যজমা
    এ্যজমা

    ত্বকের জায়গায় জায়গায় চুলকানো, রক্ত পাত হওয়া, ক্ষত কিংবা খোস-পাচড়ায় পরিণতহওয়া

  • ক্ষত হওয়া যেগুলোর মুখ গলাই থাকে কিন্তু এক মাসেও সেরে ওঠার লক্ষণ দেখা যায় না,বা মুখ বন্ধ হয়ে গেলেও পূনরায় আবার ক্ষত বা ঘার জন্ম হয়।
  • স্বচ্ছ ধরনের ত্বকের জন্ম যার মাঝখানটা নিচু ক্ষতের মতো, কিন্তু চারিধার একটু উঁচু,এবং এই ত্বক ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়তে থাকা।

স্কামোস সেল কারসিনোমা

  • শরীরের যে যে þহানে সূর্যালোক লাগে সেখানে ধূসর কিংবা লালচে, রুক্ষ্ম, এবং খুশকিরমতো আলগা আলগা ত্বক (প্রায়শই এই ক্যান্সারের প্রথম লক্ষণ।)
  • একটা শক্ত মাংসল স্ফীতি যেটা ধীরে ধীরে বড় হতেই থাকে।

ম্যালিগনান্ট ম্যালানোমা

  • তিলের আকার আকৃতির পরিবর্তন। তিলটি যদি খুসকির মতো হয়ে ওঠে, কিংবা সেখানথেকে পূজ জাতীয় পদার্থ বের হয়, রক্ত বের হয় কিংবা তিলটা বড় হতে থাকে।
  • ত্বকের কোথাও কালো হয়ে ওঠা এবং সেখানে চুলকানির অনুভব হওয়া, কিংবা হঠাৎকরেই বুদবুদের মতো তিলের উৎপত্তি হওয়া।
  • কালো দাগ কিংবা তিল যেগুলোর নিম্নোক্ত বৈশিষ্ট্যগুলো রয়েছে: একইরকম বাসামঞ্জস্যপূর্ণ বর্ডার, অস্পষ্ট, রঙের তারতম্যময়; এবং ব্যাস এক ইঞ্চি থেকে বড়।

কী করা উচিত

যদি আপনার সন্দেহ হয় যে আপনার স্কিন ক্যান্সার হয়েছে তবে ডাক্তারের কাছে যেতেমোটেও দেরী করবেন না। যতো দ্রুত এর চিকিৎসা করা হয়, ততোই সফলভাবে চিকিৎসারসম্ভাবনা বাড়ে।

কখন ডাক্তার দেখাবেন

  • যদি আপনার চুলকানিযুক্ত কোন তিল থাকে, কিংবা কোন কালো দাগ বা ফোড়া থাকে,যেটার রঙ পরিবর্তিত হয়, রক্তপাত হয় এবং পূজ জাতীয় পদার্থও বের হয়।
  • যদি আপনি স্কিন ক্যান্সারের কোন লক্ষণ বা উপসর্গ দেখতে পান।
  • যদি পিম্পলের (বা ব্রণের) মতো কোন ঘা-এর জন্ম হয় এবং সেরে না গিয়ে বরং দিন দিনবড় হতে থাকে।
  • সূর্যের আলোয় গেলেই যদি আপনার ত্বকের উপরে বা নীচে দানার মতো ফুলে ওটে এবংদুই সপ্তাহ যাবৎ ঘরোয়া চিকিৎসাতেও যদি সেটা সেরে না যায়।

কিভাবে প্রতিরোধ করবেন

  • যেহেতু ৯০ ভাগ স্কিন ক্যান্সারই সূর্যরশ্মির কারণে ঘটে, তাই সূর্যরশ্মি থেকে যতোটা সম্ভবদূরে থাকাই এই রোগ প্রতিরোধের সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা
  • সূর্যালোকে যাবার অন্তত ৩০ মিনিট আগে এসপিএফ ১৫ (বা তারও বেশি) সমৃদ্ধ সানস্ক্রিণমাখুন। মাথায় টুপি পড়ুন, লম্বা হাতার জামা পড়ুন এবং ফুল প্যান্ট পড়ুন। (মনেরাখবেন সূর্যের অতিবেগুণী রশ্মি কুয়াশা ভেদ করেও আপনার শরীরে পৌছাতে সক্ষম)।সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত (যদি সম্ভব হয় বিকেল ৪টা পর্যন্ত) সূর্যালোকে যাবেননা, কেননা এই সময়ই সূর্যরশ্মি সবচে প্রখর থাকে।
  • সানটেন ওয়েল ব্যবহার করবেন না, কেননা এটা আপনার ত্বককে রক্ষা করে না।
  • নিজে নিজেই সময়ে সময়ে আপনার ত্বকের পরীক্ষা করুন। রোদে গেলে যদি আপনারশরীরে তিলের মতো কালো কালো দাগ হয়, সেটা রোদে পোড়ার কারণেই হোক, কিংবাসামান্য সূর্যরশ্মিরসংস্পর্শেই হোক, কিংবা যদি আপনার পরিবারের কারোর স্কিন ক্যান্সারহয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করে প্রাথমিক পরীক্ষাগুলো সেরে ফেলুন।এবং ডাক্তারকে আপনার লক্ষণগুলো সম্পর্কে জানান।
1 Star2 Stars3 Stars4 Stars5 Stars (1 votes, average: 4.00 out of 5)
Loading...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *